দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় মুখ থালাপতি বিজয় এবার রাজনীতির ময়দানেও দেখালেন চমকপ্রদ সাফল্য। দীর্ঘদিন অভিনয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকার পর প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।
তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, বিজয়ের প্রতিষ্ঠিত দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে) ১০৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। এতে দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাজগম (ডিএমকে) ও অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাজগম (এআইএডিএমকে)-সহ অন্যান্য দলকে পেছনে ফেলেছে তার দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রথমবারের নির্বাচনে এমন ফলাফল নিঃসন্দেহে বড় ধরনের চমক।
এই সাফল্য ঘিরে বিজয়ের বাড়িতে এখন উৎসবের আমেজ। তার বাবা এসএ চন্দ্রশেখর ইঙ্গিত দিয়েছেন, খুব শিগগিরই মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসতে পারেন তার ছেলে। পরিবারের সদস্যদের মাঝেও বইছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।
এদিকে ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও আলোচনায় রয়েছেন এই অভিনেতা-রাজনীতিক। অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণন নিজের জন্মদিনের সকালে তিরুপতির মন্দিরে প্রার্থনা শেষে সরাসরি বিজয়ের বাড়িতে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে—যা ভক্তদের আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।
বিজয়ের এই অগ্রগতিতে অভিনন্দন জানিয়েছেন চলচ্চিত্র অঙ্গনের বহু তারকা। এর মধ্যে রয়েছেন বিজয় দেবরকোন্ডা, হেমা মালিনী, নানি, টাইগার শ্রফ, কাজল আগরওয়াল, নিখিল সিদ্ধার্থ, অল্লু ভর্গেশ, সিবি সত্যরাজ, বরলক্ষ্মী শরৎকুমার এবং ভেঙ্কট প্রভু। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাকে।
নিজের প্রতিক্রিয়ায় বিজয় তামিলনাড়ুর জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাদের দৃঢ় মতামতের প্রতিফলনই এই ফলাফলে উঠে এসেছে। সব মিলিয়ে, তারকা থেকে জননেতা হয়ে ওঠার এই যাত্রা নতুন এক বার্তা দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই অগ্রগতি ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত সরকার গঠন করতে পারেন কি না তিনি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বাংলাদেশ থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে শক্ত জায়গা করে নেওয়া এক রাজনৈতিক স্লোগান ‘খেলা হবে’। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে এই ‘খেলা হবে’ স্লোগানই হয়ে উঠেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান হাতিয়ার। বিজেপিকে ঠেকাতে ‘খেলা হবে’ গানও বাঁধা হয়েছিল। আর তাতে শেষপর্যন্ত ধরাশায়ী হতে হয় কোমর বেঁধে মাঠে নামা বিজেপিকে। তবে পাঁচ বছর বাদে উল্টে গেছে পাশার দান। যে স্লোগান এবং গান কাঁপন ধরিয়েছিল বিরোধী শিবিরে, সেটিই এখন ব্যাঙ্গ হয়ে তীরবিদ্ধ করছে মমতার তৃণমূল কংগ্রেসকে। ভোটে বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর বিজেপির নেতা-সমর্থকেরা উল্টো মমতাকে উপহাস করে বলছেন ‘খেলা শেষ’। তৃণমূলের দুর্গ তছনছ শুধু নয়, পাঁচ বছর আগে ‘খেলা হবে’ গানের রচয়িতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের পরাজয়ও মোটামুটি নিশ্চিত। চুঁচুড়ায় তার আসনে জয়ের কাছাকাছি রয়েছেন বিজেপির প্রার্থী সুবীর নাগ। ‘খেলা হবে’ স্লোগানের আদি উৎপত্তি বাংলাদেশে। আওয়ামী লীগ নেতা ও নারায়ণগঞ্জের সাবেক এমপি শামীম ওসমান প্রথম ২০১৩ সালে এই স্লোগানটি ব্যবহার করেন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নারায়ণগঞ্জে এক সমাবেশে বিএনপি ও জামায়াতের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কারে খেলা শেখান? আমরা তো ছোটবেলার খেলোয়াড়। খেলা হবে!’ এরপরেই আওয়ামী লীগ নেতাদের মুখে ছড়িয়ে পড়ে এই স্লোগান। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মুখে একাধিকবার শোনা গেছে ‘খেলা হবে’। সীমান্ত পেরিয়ে এই স্লোগান পৌঁছে যায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির উদ্দেশে বিভিন্ন সময় এই স্লোগান দিয়ে আলোচিত হন। এরপর ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস তাদের অনানুষ্ঠানিক নির্বাচনী সংগীত হিসেবে বেছে নেয় ‘বন্ধু এবার খেলা হবে…’। গানটির লেখক দেবাংশু ভট্টাচার্য। তরুণ দেবাংশু এই গান লিখে রীতিমতো তারকা বনে যান। এর আগে ছিলেন তৃণমূলের একজন সাধারণ সমর্থক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখি করতেন। তবে ‘খেলা হবে’ গানেই খুলে যায় কপাল। ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলের সমর্থনে তাঁর লেখা এই গান রাজ্য ও রাজ্যনীতিতে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। দায়িত্ব পান তৃণমূলের আইটি সেলের। এই তরুণ তুর্কিকে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে তমলুক থেকে প্রার্থীও করা হয়। তবে জিততে পারেননি। সবশেষ এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে চূঁচূড়া থেকে প্রার্থী মনোনয়ন দেয় তৃণমূল। এজন্য দলটি চুঁচুড়ার বর্তমান বিধায়ক অসিত মজুমদারকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। ধারণা করা হচ্ছিল এবার দেখাবেন ‘আসল খেলা’। তবে গেরুয়া ঝড় পশ্চিমবঙ্গে যে তাণ্ডব চালিয়েছে তাতে উড়ে যেতে বসেছেন ‘খেলা হবে’ গানের স্রষ্টাও। শেষ খবর পর্যন্ত তাকে পেছনে ফেলে ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন বিজেপির সুবীর নাগ। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের পাশাপাশি দেবাংশু ভট্টাচার্যের খেলাও এবার শেষের পথে।
সোমবার বিকেলে ইরান থেকে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে এর মধ্যে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে রুখে দেওয়া সম্ভব হলেও একটির আঘাতে ফুজাইরা তেল শিল্প এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে। সোমবার বিকেল ৪টা ৫৯ মিনিটে আমিরাতের বাসিন্দাদের মোবাইলে প্রথম জরুরি সতর্কতা সংকেত পাঠানো হয়। এর কিছু সময় পর পরিস্থিতি নিরাপদ বলে জানানো হলেও সন্ধ্যা ৭টার দিকে আবারও দ্বিতীয় দফায় মিসাইল হামলার সতর্কতা জারি করা হয়। অন্যদিকে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালীতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী দাবি করেছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের ওপর বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের 'পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ' রয়েছে। তাদের নৌবাহিনী সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিয়ে পার করে দিচ্ছে। তবে ইরানি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, তারা হরমুজ প্রণালীতে একটি মার্কিন ফ্রিগেটে হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড অবশ্য এই দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে জানিয়েছে, তাদের কোনো যুদ্ধজাহাজ আক্রান্ত হয়নি। হরমুজ প্রণালীর এই অস্থিরতার মাঝেই আমিরাতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি অ্যাডনক-এর একটি ট্যাংকার ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। দুটি ড্রোন দিয়ে চালানো ওই হামলায় কোনো হতাহতের খবর না পাওয়া গেলেও আরব আমিরাত এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ অভিযান 'প্রজেক্ট ফ্রিডম' আজ থেকে শুরু হয়েছে। বর্তমানে এই অঞ্চলের আকাশপথে কিছুটা বিধিনিষেধ থাকলেও দুবাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তারা পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের এলাকায় উচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে।
ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলের সামার দ্বীপে সোমবার দুপুর ২টা ৯ মিনিটে ৬ দশমিক ০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) এ তথ্য জানায়। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ৭৩ দশমিক ৩ কিলোমিটার (৪৫ মাইল) গভীরে। এটি উপকূলীয় শহর সান জুলিয়ান থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ম্যানিলা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। একজন স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, ভূমিকম্পটি ছিল প্রবল ও আকস্মিক। তবে এখন পর্যন্ত এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ‘পুলিশ স্টেশনে আমাদের ছাদের সঙ্গে যুক্ত একটি বিম ভেঙে গেছে। কিছু আসবাবপত্র নড়তে দেখেছি।’ তিনি আরও জানান, আফটারশকের আশঙ্কায় তিনি ও তার সহকর্মীরা এখন বাইরে অবস্থান করছেন। গত অক্টোবর মাসে পূর্ব মিন্ডানাও দ্বীপে ৭ দশমিক ৪ ও ৬ দশমিক ৭ মাত্রার দুটি ভূমিকম্পে অন্তত আট জন প্রাণ হারান। এর আগে কয়েকদিনের ব্যবধানে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে ৭৬ জন নিহত হন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ওই ভূমিকম্পে মধ্য ফিলিপাইনের সেবু প্রদেশে ৭২ হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।