জাতীয়

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সরকার ও ইসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে সেনাবাহিনী

আক্তারুজ্জামান নভেম্বর ২৩, ২০২৫ 0

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

 

রোববার (২৩ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান এ কথা বলেন।

 

সেনাপ্রধান বলেন, সামনে দেশ একটা নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে, সেই নির্বাচনে আমরা যথাযথভাবে সরকারকে সহযোগিতা করব। নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করব, যেন আমরা সুন্দর একটা নির্বাচন পেতে পারি। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী নিয়োজিত আছে।

 

এ সময় সেনাপ্রধান আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের দেখানো পথ অনুযায়ী দেশের স্বার্থে, দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

 

অনুষ্ঠানে বীরত্বপূর্ণ কাজ ও বাহিনীতে অসামান্য অবদানের জন্য ৬৪ সেনাসদস্যকে পদক এবং ৭৫ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সম্মাননা প্রদান করেন সেনাপ্রধান। এরমধ্যে ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে নানা অবদানের জন্য ৯ জনকে সেনাবাহিনী পদক, ১৭ জনকে অসামান্য সেবা পদক এবং ৩৮ সেনা সদস্যকে বিশিষ্ট সেবা পদক প্রদান করা হয়।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

দেশের বাইরে পড়ার জীবনটা যেমন

দেশের বাইরে মানুষকে পড়তে আসা উচিত কি না—এ নিয়ে ধর্মীয়, সামাজিক, ব্যক্তিগত নানা মত আছে। তবে আমার বিশ্বাস, সুযোগ থাকলে জীবনে একবার হলেও দেশের বাইরে পড়াশোনা করা উচিত। বিদেশে পড়লে একজন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলায়, সে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করে। চাইলে বিদেশে চাকরি করতে পারে, আবার চাইলে দেশে ফিরে অবদান রাখতে পারে—সেটলড হওয়াই একমাত্র লক্ষ্য নয়। কিন্তু যেটাই করুক, সে যে অভিজ্ঞতা বয়ে নিয়ে যায় সেটা অমূল্য হয়ে থাকে। তার দুনিয়াকে দেখার চোখ অন্যদের থেকে আলাদা হবে।    অনেকেই দেশে হোস্টেলে থেকেছেন, বাবা–মা থেকে দূরে থেকেছেন। কিন্তু বিদেশে এসে যে ধাক্কাটা লাগে, সেটা আলাদা। এখানে সবই একা সামলাতে হয়। অসুস্থ হলে মাথায় নিজেই পানি দিতে হয়। হাজারো চ্যালেঞ্জ, হাজারো স্ট্রাগল—সব একা নিজের কাঁধে বয়ে বেড়াতে হয়।   দেশে একা থাকা আর বিদেশে একা থাকার তফাৎ এখানেই। দেশে জুতা ছিঁড়লে মুচি আছে, বিদ্যুৎ গেলে মেকানিক আছে, গাড়ি নষ্ট হলে সাহায্য মিলবে, রান্নার জন্য বুয়া পাওয়া যাবে। কিন্তু বিদেশে জুতা সেলাই করতে যে টাকা লাগে, তা দিয়ে নতুন দুই জোড়া কিনে ফেলা যায়। শেফ রাখতে চাইলে তার বেতনই আপনার বেতনের চেয়ে বেশি হতে পারে। তাও দেশি স্বাদের রান্না নাও আসতে পারে।   এখানে এসে আমি নিজের সাইকেলের চাকা নিজেই ঠিক করেছি ইউটিউব দেখে, জুতা নিজে সেলাই করেছি, গাড়ি নষ্ট হলে নিজে শিখে ঠিক করেছি। রান্না শিখেছি—কারণ বছরের পর বছর নিজের হাতের রান্নাই খেতে হয়। এসব তো কেবল কয়েকটা উদাহরণ; সব বলতে গেলে বই হয়ে যাবে।   কঠিন পড়াশোনা আর গবেষণার পাশাপাশি বেঁচে থাকার প্রয়োজনে আরও শত স্কিল শিখতে হয়। চ্যালেঞ্জ যতই থাকুক, মানুষ প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে শিখে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সহজ হয়ে আসে। আর এসব সংগ্রাম—এসবই মানুষকে শক্তিশালী, সক্ষম ও পরিণত করে তোলে। তাই প্রবাসজীবনে সমস্যা যেমন আছে, তেমনি আছে অসংখ্য সুযোগ ও ইতিবাচক দিক।   দেশে আমার পরিচিত অসংখ্য বন্ধু–পরিচিত ‘বেকার’। রূপক অর্থে বেকার। অর্থাৎ চাকরি থাকলেও তারা কাজকে অর্থবহ মনে করে না, নিজের কর্মজীবন নিয়ে গর্বিত হতে পারে না। বড় চাকরি, ছোট চাকরি, ব্যবসা—সব ক্ষেত্রেই বেশিরভাগ মানুষ সন্তুষ্ট না নিজের কাজ নিয়ে, না নিজের জীবনের মান নিয়ে।   কিন্তু বিদেশে এই বিষয়টা তুলনামূলক কম। এখানে নিজের পছন্দের কাজ খুঁজে পাওয়ার সুযোগ অসীম—যদি আপনি সেই কাজের স্কিল শিখে নিতে পারেন। ক্যারিয়ারের মাঝপথে হঠাৎ মনে হলে যে আপনি অন্য কিছু করতে চান—এখানে সেটা ভাবার সাহস মানুষ দেখাতে পারে। নিজের জীবন নতুনভাবে গড়া এখানে সম্ভব।   এখানে আপনাকে আপনার কাজ দিয়েই বিচার করা হবে। ব্যক্তিজীবন নিয়ে খুব কমই মানুষ মাথা ঘামায়। রেসিজম আছে ঠিকই—কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার, কাউকে ‘কেনা গোলাম’ ভাবার প্রবণতা এখানে বিরল। আপনি নিজের কাজ ঠিকঠাক করলে কারো কাছে তোষামোদ করতে হবে না। নিজের আত্মসম্মান বিক্রি করতে হবে না। এই পরিবেশ জীবনকে কম টক্সিক করে তোলে।   বাংলাদেশে তো পাসপোর্ট অফিসের পিয়নকেও ‘স্যার’ বলতে হয় ফাইলটা একটু ভেতরে ঢোকানোর জন্য—যা আমরা শ্রদ্ধা থেকে বলি না, বাধ্য হয়ে বলি।   দেশে–বিদেশে কোথাও প্রতিদিন অসাধারণ লাগবে না। কিন্তু প্রতিদিন অন্তত মনে হওয়া উচিত—আপনি কোনো অর্থবহ কাজে যুক্ত আছেন। যদি সেটা না হয়, তাহলে নিজের কাজ, নিজের স্থান, নিজের পরিবেশ—সবই নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।   আপনি যদি নিজের কাজ নিয়ে, নিজের জায়গা নিয়ে, নিজের অবদান নিয়ে গর্ব করতে পারেন—তাহলে দেশে পরিবার–পরিজন নিয়ে জীবন কাটানোই শ্রেয়। আর সময়–সুযোগ পেলে একবার বিদেশে অভিজ্ঞতা নেওয়া যেতে পারে—জব করে, মাস্টার্স বা পিএইচডি করে, কিংবা কিছুদিন ভ্রমণ করে। তবে দয়া করে—ব্যাচেলর/অনার্স লেভেলের পড়াশোনায় সন্তানকে বিদেশে পাঠাবেন না। আর ব্যাংক লোন নিয়ে বিদেশ ভ্রমণ করতে যাবেন না—এটা বাড়াবাড়ি।   লেখক : সাকলাইন মোস্তাক, পিএইচডি শিক্ষার্থী, যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত
লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ধান-চাল সংগ্রহের ঘোষণা খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর

কৃষকরা যে পরিমাণ ধান সরকারি খাদ্যগুদামে দিতে পারবেন, সরকার সেই পরিমাণ ধানই সংগ্রহ করবে বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী।   রোববার সন্ধ্যায় নেত্রকোনা পাবলিক হল মিলনায়তনে সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।   প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের উন্নয়ন ও আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রধানদের জন্য ভাতা, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা চলছে।   তিনি আরও বলেন, প্রান্তিক কৃষক ও সাধারণ মানুষের কাছে কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা এবং উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়াতে আগামী জুলাই থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিন্ন পোশাক দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।   ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা প্রসঙ্গে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এবার তার চেয়েও বেশি ধান ও চাল সংগ্রহ করা হবে। হাওড় অঞ্চলে বন্যার কারণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চাল সংগ্রহের সময়সূচি ১৫ তারিখের পরিবর্তে এগিয়ে আনা হয়েছে।   তিনি জানান, কৃষকদের পাওনা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে। এতে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা সিন্ডিকেটের সুযোগ থাকবে না। তবে সংরক্ষণের সুবিধার্থে নির্ধারিত মাত্রার আর্দ্রতাসম্পন্ন শুকনো ধান কেন্দ্রে আনার জন্য কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।   জেলা খাদ্য বিভাগ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে নেত্রকোনায় ২০ হাজার ৪১৫ মেট্রিক টন ধান এবং ৫৫ হাজার ৫৮৫ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি কেজি ধানের দাম ৩৬ টাকা এবং চালের দাম ৪৯ টাকা। জেলার ১৩টি খাদ্যগুদামে এ সংগ্রহ অভিযান চলবে।

আক্তারুজ্জামান মে ০৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে পোশাকশ্রমিককে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

ছবি : সংগৃহীত

ঈদের পর আলোচনার মাধ্যমে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

ছবি : সংগৃহীত

সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে হাজীদেরকে সেবা দিলে এজেন্সিকে পুরস্কৃত করা হবে : ধর্মমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের ছয় ফ্লাইট বাতিল

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ শুরুর প্রেক্ষিতে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগমনী বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ছয়টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ এয়ারফিল্ড ও ফ্লাইট ইনফরমেশন রিজিয়ন (এফআইআর)  সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের নির্ধারিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। তবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-১২২ (মাস্কাট-চট্টগ্রাম-ঢাকা) ওমানের মাস্কাট থেকে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় চট্টগ্রামের উদ্দেশে সফলভাবে উড্ডয়ন করেছে। চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  তিনি জানান, বাতিল হওয়া বহির্গমণ ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এর ফ্লাইট বিজি-১৪৭ (ঢাকা-চট্টগ্রাম-দুবাই), যার চট্টগ্রাম থেকে সম্ভাব্য ছাড়ার সময় ছিল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিট। একই সংস্থার ফ্লাইট বিজি-১৫১ (ঢাকা-চট্টগ্রাম-শারজাহ), যার সম্ভাব্য ছাড়ার সময় ছিল সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস-৩৩৩ (ঢাকা-চট্টগ্রাম-দোহা), যা সন্ধ্যা ৫টা ২৫ মিনিটে চট্টগ্রাম ত্যাগ করার কথা ছিল, সেটিও বাতিল করা হয়েছে। আগমনী ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বাতিল হয়েছে- এয়ার আরাবিয়ার ফ্লাইট জি৯-৫২০ (শারজাহ-চট্টগ্রাম), ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস-৩৪৪ (দুবাই-চট্টগ্রাম) এবং সালাম এয়ারের ফ্লাইট ওভি-৪০৩ (মাস্কাট-চট্টগ্রাম)। সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে এসব ফ্লাইটের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী যাত্রা সম্ভব হয়নি। জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, উল্লেখিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলো বজায় রাখার জন্য স্ব স্ব এয়ারলাইন্সসমূহ কাজ করছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0

তথ্য প্রতিমন্ত্রীর কাছে ময়মনসিংহ বিভাগীয় তথ্য কমপ্লেক্সের অগ্রগতি প্রতিবেদন হস্তান্তর

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ছবি : সংগৃহীত

এয়ারলাইন্স ও যাত্রীদের যে বিশেষ নির্দেশনা দিল শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ

ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূসের সঙ্গে

ছবি : সংগৃহীত
ঈদে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে আগামী ৩ মার্চ থেকে। ওইদিন ১২ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত যেকোনো দিনের অগ্রিম টিকিট কিনতে পারবেন যাত্রীরা।   শনিবার রাজধানীর গাবতলিতে বাংলাদেশ বাস–ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংগঠনের সেক্রেটারি শুভঙ্কর ঘোষ রাকেশ।   রাকেশ বলেন, আগামী ৩ মার্চ সকাল থেকে কাউন্টার ও অনলাইন—দুই মাধ্যমেই অগ্রিম টিকিট বিক্রি হবে। যাত্রীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পছন্দের বাস ও আসন নির্বাচন করে টিকিট কিনতে পারবেন। ৩ মার্চ দেওয়া হবে ১২ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিনের যাত্রার টিকিট।   তিনি জানান, বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে কোনো ভাড়া নেওয়ার সুযোগ নেই। অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও একই ভাড়া কার্যকর থাকবে। প্রতিটি কাউন্টারে বিআরটিএ অনুমোদিত ভাড়ার চার্ট টাঙানো বাধ্যতামূলক করা হবে।   টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতে বিভিন্ন কাউন্টারে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে উল্লেখ করে শুভঙ্কর ঘোষ রাকেশ বলেন, কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি মালিক সমিতির পক্ষ থেকেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ইরান-সংকটে মধ্যপ্রাচ্যগামী ঢাকা ফ্লাইট স্থগিত

সংগৃহীত ছবি

ঈদযাত্রা স্বস্তির ও নিরাপদ হবে : নৌপরিবহন মন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

স্বাধীন ফিলিস্তিনের পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন থাকবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

0 Comments