সারাদেশ

বাবার কাছ থেকে তুলে নিয়ে কিশোরীকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0

নরসিংদীর মাধবদীতে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগী কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিহত কিশোরীর মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে মাধবদী থানায় এ হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে রাতেই বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, এবাদুল্লাহ (৪০), আহম্মদ আলী মেম্বার (৬৩), মো. ইমরান দেওয়ান (৩২) ও মো. আইয়ুব (৩০)।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, নিহত কিশোরীর মা বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই মধ্যে এজাহারভুক্ত ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে এ ঘটনায় জেলাজুড়ে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন হত্যার সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে জেলা প্রশাসক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, আমি নরসিংদীর জেলা প্রশাসক এবং সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি, তারা যেন এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে সকল অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে এবং নিহতের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।

অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, আমিনার পরিবার যেন ন্যায়বিচার পায় তা নিশ্চিত করতে আমার সাধ্যের সবটুকু আমি করব এবং একজন অপরাধীকেও ছাড় দেওয়া হবে না।

এর আগে, বৃহস্পতিবার সকালে মাধবদী থানার মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় আমেনা আক্তার (১৫) নামে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানায়, নিহতের বাবা আশরাফ হোসেন বরিশালের বাসিন্দা। কাজের সুবাধে স্ত্রী-কন্যাসহ মাধবদীর বিলপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। গত ১৫ দিন আগে স্থানীয় বখাটে নূর মোহাম্মদ নূরার নেতৃত্বে ৫-৬ জনের একটি দল এলাকা থেকে মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংসাও করা হয়।

 

বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা মেয়েকে নিয়ে খালার বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে পাঁচজন যুবক মেয়েটিকে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। পরে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে বাড়ি ফিরে আসে। এরপর আজ সকালে পুলিশ সরিষা ক্ষেত থেকে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

দেশের বাইরে পড়ার জীবনটা যেমন

দেশের বাইরে মানুষকে পড়তে আসা উচিত কি না—এ নিয়ে ধর্মীয়, সামাজিক, ব্যক্তিগত নানা মত আছে। তবে আমার বিশ্বাস, সুযোগ থাকলে জীবনে একবার হলেও দেশের বাইরে পড়াশোনা করা উচিত। বিদেশে পড়লে একজন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলায়, সে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করে। চাইলে বিদেশে চাকরি করতে পারে, আবার চাইলে দেশে ফিরে অবদান রাখতে পারে—সেটলড হওয়াই একমাত্র লক্ষ্য নয়। কিন্তু যেটাই করুক, সে যে অভিজ্ঞতা বয়ে নিয়ে যায় সেটা অমূল্য হয়ে থাকে। তার দুনিয়াকে দেখার চোখ অন্যদের থেকে আলাদা হবে।    অনেকেই দেশে হোস্টেলে থেকেছেন, বাবা–মা থেকে দূরে থেকেছেন। কিন্তু বিদেশে এসে যে ধাক্কাটা লাগে, সেটা আলাদা। এখানে সবই একা সামলাতে হয়। অসুস্থ হলে মাথায় নিজেই পানি দিতে হয়। হাজারো চ্যালেঞ্জ, হাজারো স্ট্রাগল—সব একা নিজের কাঁধে বয়ে বেড়াতে হয়।   দেশে একা থাকা আর বিদেশে একা থাকার তফাৎ এখানেই। দেশে জুতা ছিঁড়লে মুচি আছে, বিদ্যুৎ গেলে মেকানিক আছে, গাড়ি নষ্ট হলে সাহায্য মিলবে, রান্নার জন্য বুয়া পাওয়া যাবে। কিন্তু বিদেশে জুতা সেলাই করতে যে টাকা লাগে, তা দিয়ে নতুন দুই জোড়া কিনে ফেলা যায়। শেফ রাখতে চাইলে তার বেতনই আপনার বেতনের চেয়ে বেশি হতে পারে। তাও দেশি স্বাদের রান্না নাও আসতে পারে।   এখানে এসে আমি নিজের সাইকেলের চাকা নিজেই ঠিক করেছি ইউটিউব দেখে, জুতা নিজে সেলাই করেছি, গাড়ি নষ্ট হলে নিজে শিখে ঠিক করেছি। রান্না শিখেছি—কারণ বছরের পর বছর নিজের হাতের রান্নাই খেতে হয়। এসব তো কেবল কয়েকটা উদাহরণ; সব বলতে গেলে বই হয়ে যাবে।   কঠিন পড়াশোনা আর গবেষণার পাশাপাশি বেঁচে থাকার প্রয়োজনে আরও শত স্কিল শিখতে হয়। চ্যালেঞ্জ যতই থাকুক, মানুষ প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে শিখে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সহজ হয়ে আসে। আর এসব সংগ্রাম—এসবই মানুষকে শক্তিশালী, সক্ষম ও পরিণত করে তোলে। তাই প্রবাসজীবনে সমস্যা যেমন আছে, তেমনি আছে অসংখ্য সুযোগ ও ইতিবাচক দিক।   দেশে আমার পরিচিত অসংখ্য বন্ধু–পরিচিত ‘বেকার’। রূপক অর্থে বেকার। অর্থাৎ চাকরি থাকলেও তারা কাজকে অর্থবহ মনে করে না, নিজের কর্মজীবন নিয়ে গর্বিত হতে পারে না। বড় চাকরি, ছোট চাকরি, ব্যবসা—সব ক্ষেত্রেই বেশিরভাগ মানুষ সন্তুষ্ট না নিজের কাজ নিয়ে, না নিজের জীবনের মান নিয়ে।   কিন্তু বিদেশে এই বিষয়টা তুলনামূলক কম। এখানে নিজের পছন্দের কাজ খুঁজে পাওয়ার সুযোগ অসীম—যদি আপনি সেই কাজের স্কিল শিখে নিতে পারেন। ক্যারিয়ারের মাঝপথে হঠাৎ মনে হলে যে আপনি অন্য কিছু করতে চান—এখানে সেটা ভাবার সাহস মানুষ দেখাতে পারে। নিজের জীবন নতুনভাবে গড়া এখানে সম্ভব।   এখানে আপনাকে আপনার কাজ দিয়েই বিচার করা হবে। ব্যক্তিজীবন নিয়ে খুব কমই মানুষ মাথা ঘামায়। রেসিজম আছে ঠিকই—কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার, কাউকে ‘কেনা গোলাম’ ভাবার প্রবণতা এখানে বিরল। আপনি নিজের কাজ ঠিকঠাক করলে কারো কাছে তোষামোদ করতে হবে না। নিজের আত্মসম্মান বিক্রি করতে হবে না। এই পরিবেশ জীবনকে কম টক্সিক করে তোলে।   বাংলাদেশে তো পাসপোর্ট অফিসের পিয়নকেও ‘স্যার’ বলতে হয় ফাইলটা একটু ভেতরে ঢোকানোর জন্য—যা আমরা শ্রদ্ধা থেকে বলি না, বাধ্য হয়ে বলি।   দেশে–বিদেশে কোথাও প্রতিদিন অসাধারণ লাগবে না। কিন্তু প্রতিদিন অন্তত মনে হওয়া উচিত—আপনি কোনো অর্থবহ কাজে যুক্ত আছেন। যদি সেটা না হয়, তাহলে নিজের কাজ, নিজের স্থান, নিজের পরিবেশ—সবই নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।   আপনি যদি নিজের কাজ নিয়ে, নিজের জায়গা নিয়ে, নিজের অবদান নিয়ে গর্ব করতে পারেন—তাহলে দেশে পরিবার–পরিজন নিয়ে জীবন কাটানোই শ্রেয়। আর সময়–সুযোগ পেলে একবার বিদেশে অভিজ্ঞতা নেওয়া যেতে পারে—জব করে, মাস্টার্স বা পিএইচডি করে, কিংবা কিছুদিন ভ্রমণ করে। তবে দয়া করে—ব্যাচেলর/অনার্স লেভেলের পড়াশোনায় সন্তানকে বিদেশে পাঠাবেন না। আর ব্যাংক লোন নিয়ে বিদেশ ভ্রমণ করতে যাবেন না—এটা বাড়াবাড়ি।   লেখক : সাকলাইন মোস্তাক, পিএইচডি শিক্ষার্থী, যুক্তরাষ্ট্র

সারাদেশ

আরও দেখুন
আকলিমা আক্তার
টাকার জন্য নিজ সন্তানকে দত্তক দিয়ে অপহরণের নাটক, অতঃপর...

কুমিল্লার দেবীদ্বারে টাকার জন্য নিজ সন্তানকে অপহরণের নাটক সাজানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে এক মায়ের বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এলাকা থেকে শিশুকে অপহরণ করা হয়। ভুক্তভোগী ওই শিশুটির মা আকলিমা আক্তার দেবিদ্বার পৌর এলাকার বিনাইপাড় গ্রামের অটোচালক মো. কামাল হোসেনের স্ত্রী।  শিশু অপহরণের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে দত্তক নেওয়া ব্যক্তি আবু সাঈদের দৃষ্টিগোচর হয়। তিনি কালের কণ্ঠকে জানান, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখে আমি বিব্রত। কারণ ওই নারী স্বেচ্ছায় তার বাচ্চা দত্তক দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দেবীদ্বার সদরে অবস্থিত আল মদীনা হাসপাতালে এসে ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ফিরোজ আহমেদ ও নার্স রহিমার সাথে কথা বলে শিশুটিকে হস্তান্তর করে দিয়ে যান। পরে বাচ্চাটি নার্স রহিমা আক্তার আমার ঢাকার বাসায় পাঠিয়ে দেয়।   তিনি জানান, আমি বিয়ের ১৭ বছরেও সন্তানের বাবা হতে পারিনি। তাই বিভিন্ন জায়গায় দত্তক দেওয়া বাচ্চার সন্ধানে অনেককে বলে রেখেছিলাম। আমার এক নিকট আত্মীয় রহিমা আক্তারের মাধ্যমে বাচ্চার সন্ধান পেয়ে জানান। বাচ্চার মায়ের ডিমান্ড ছিল এক লক্ষ টাকা, আমি বলেছিলাম ৫০ হাজার টাকা। টাকা যাই হোক কন্টাক ফর্মে স্বাক্ষর করে টাকা নেওয়ার কথা ছিল। বাচ্চাটি পেয়ে আমাদের পরিবার খুবই আনন্দিত হয় এবং এ বাচ্চার জন্য গতকাল শুক্রবার বিকেলেই প্রায় ১৫ হাজার টাকার বস্ত্র ও মালামাল ক্রয় করে নিয়ে আসি। আর এদিকে ওই নারী অপহরণ নাটক সাজিয়ে গোটা দেশে তোলপাড় তৈরি করে দিয়েছে। এ ব্যাপারে আল মদীনা হাসপাতালের নার্স রহিমা আক্তার জানান, বাচ্চার মা আকলিমা আক্তার আমার কাছে আসেন এবং তার বাচ্চাটি দত্তক দেওয়ার অনুরোধ করেন। তার স্বামী নেশাগ্রস্ত, আগের এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তান রয়েছে। তাদের ভরণপোষণ যোগাতে পারে না। এ বাচ্চাটি দত্তক দিয়ে দেব। আমার পরিচিত কয়েকজনকে বিষয়টি জানাই ওরা বাচ্চা পেয়ে গেছে, তাই তাদের প্রয়োজন নেই। পরে আবু সাঈদের কথা মনে পড়ে। আমি আবু সাঈদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি রাজি হয়ে যান। বাচ্চাটি নিয়ে আসলে তার স্বামীর খোঁজ নেই। তিনি বলেন, আগামী কাল স্বামীসহ এসে কন্টাক ফর্মে স্বাক্ষর করে টাকা নিয়ে যাবে।  গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) শিশুটির মা আকলিমা বিকেল ৩টায় বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি এলাকায় সড়কের পাশে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা জাতীয় সেবা ‘৯৯৯’ নম্বর ফোনে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে দেবীদ্বার থানা পুলিশের উপস্থিতিতে স্বামী ও ভাইয়ের কাছে হস্তান্তর করে। কিন্তু সাথে থাকা তার ২৭ দিন বয়সী শিশু কন্যার কোন সন্ধ্যান পাওয়া যায়নি। ওই ঘটনায় আকলিমার স্বামী কামাল হোসেন দেবীদ্বার থানায় অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনকে অভিযোগ করে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।  আল মদীনা হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. ফিরুজ আহমেদ বলেন, ওই মহিলা ৩ দিন এসেছে আমার কাছে, বাচ্চাটি দত্তক দিতে। কেন দত্তক দিতে চায় জানতে চাইলে সে জানায় তার স্বামী নেশাখোর, ভরণপোষন দিতে পারে না। আরো দুইটি বাচ্চা আছে। তাই এ বাচ্চাটি দত্তক দেবে। গতকাল দুপুরে আমি ডিউটি সেরে নিচে যাওয়ার পথে ওই মহিলা আমাকে ডেকে এনে বলেন, বাচ্চা দিয়ে দিছি। বললাম এমনে হবে না আপনার স্বামীকে নিয়ে এসে কন্টাক ফর্মে স্বাক্ষর করে দিতে হবে। আগামীকাল আসবে বলে চলে যান।  এ ব্যাপারে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, অজ্ঞান পার্টি নাকি অপহরণকারীদের হাতে অপহৃত হয়েছে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ভুক্তভোগী নারীকে গতকাল বিকেলে উদ্ধার করে তার স্বামী ও ভাইকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে শিশু কন্যাকে পাওয়া যায়নি। অপহরণের সময় ওই নারীর কাছে টাকা ও মোবাইল ফোনটি ছিল। বাচ্চাটির সন্ধান পেয়েছি। বাচ্চা উদ্ধারের পর তদন্তের পূর্বে সঠিক কিছু বলা যাবে না। 

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি সীমান্তে ৫টি স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী গ্রেফতার।

সীমান্তে স্বর্ণসহ পাচারকারী গ্রেফতার

মাদারীপুর-১ আস‌নের সংসদ সদস্য পীরজাদা হানজালা।

নির্বাচিত হ‌য়েই ন্যায় ও ইনসাফের ডাক হাজী শরীয়তউল্লাহর বংশধর হানজালার

মিজানুর রহমান মিনু

ভূমি-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে হবে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার

ছবি : সংগৃহীত
নিজের পিস্তলের গুলিতে এসআই গুলিবিদ্ধ

নিজের ব্যবহৃত পিস্তলের গুলিতে পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন দেওয়ান মামুন নামে নাটোর পুলিশ লাইন্সে কর্মরত এক এসআই। ঘটনার পর তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।   শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পুলিশ লাইন্সের ভেতরে নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে। জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব জানান, বিদেশি নাগরিকের নিরাপত্তার ডিউটি শেষে সন্ধ্যায় নিজ বাসায় ফেরেন এসআই দেওয়ান মামুন। পরে নিজের ব্যবহৃত পিস্তলটি বিছানার ওপর রেখে তিনি ওয়াশরুমে যান। এ সময় তার শিশু সন্তান পিস্তলটি নিয়ে খেলার সময় হঠাৎ ‘মিস ফায়ার’ হলে এসআই দেওয়ান মামুন বাম পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। সহকর্মীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে স্থানীয় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঘটনার পর খবর পেয়ে পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে দেখতে যান। তিনি বলেন, দুর্ঘটনাবশত এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ আরও ২ জন গ্রেপ্তার

ছবি : সংগৃহীত

পার্কিং করা তিন বাসে ভয়াবহ আগুন

এমন কম্পন জীবনে দেখিনি, বললেন সাতক্ষীরার বাসিন্দারা

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
জনগণের ওপর খবরদারির রাজনীতি কেউ চায় না: প্রতিমন্ত্রী নুর

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনীতিতে দেশে মানুষ একটি পরিবর্তন চায়। মানুষের ওপর খবরদারির রাজনীতি কেউ চায় না।  শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মাদারীপুরের মোস্তফাপুরে এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, গণপ্রতিরোধের মাধ্যমে মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। তাই নেতাকর্মীদের স্বভাব-চরিত্র পরিবর্তন হলে স্থানীয় নির্বাচনেও দেশের জনগণ ভোটের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদকে জবাব দেবে।   গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, দেশের সব নাগরিক মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বাস করবে, আইনের শাসন থাকবে, সবাই সমান সুযোগ লাভ করবে। সরকারের সামাজিক সুরক্ষামূলক কার্যক্রম প্রশাসনকে সহযোগিতা করে বাস্তবায়ন করা হবে।  তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রত্যেকটি উপজেলায় খাল খননের জন্য তালিকা চেয়েছে। খাল খননের মাধ্যমে ফসল বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার। এর আগে পথসভায় উপস্থিত থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

আগামী দুই মাস নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

যথাসময়ে স্থানীয় নির্বাচন হবে : মির্জা ফখরুল

সংঘর্ষে আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ছবি - সংগৃহীত

মসজিদের টাকা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষ

0 Comments