বিশ্ব

রুশ গ্যাস আমদানি বন্ধে নতুন আইন অনুমোদন ইইউর

খবর৭১ ডেস্ক, অক্টোবর ২১, ২০২৫ 0

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রাশিয়া থেকে গ্যাস আমদানি বন্ধে নতুন আইন অনুমোদন করেছে। ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি কার্যকর হবে।

নতুন আইনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে রুশ পাইপলাইন ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি বন্ধ থাকবে। তবে বিদ্যমান চুক্তির জন্য কিছু সময় দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৭ জুনের আগে করা স্বল্পমেয়াদি চুক্তি ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত চলবে। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ২০২৮ সালের শুরু পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

এই সিদ্ধান্ত ইইউ’র আরই-পাওয়ার-ইইউ পরিকল্পনার অংশ। এর লক্ষ্য রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং বিকল্প উৎস খুঁজে বের করা। যেসব দেশ এখনও রুশ গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল, তাদের বিকল্প উৎস নিশ্চিত করতে নিজস্ব পরিকল্পনা জমা দিতে হবে।

ইইউ কমিশন দুই বছরের মধ্যে আইনটির অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে। প্রয়োজনে সরবরাহ সংকটে সাময়িক ছাড় দেওয়া হতে পারে।

ইইউ এর আগে রাশিয়ার ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে। ইইউ জানিয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়ার ওপর চাপ অব্যাহত থাকবে।

২০২৫ সালে ইইউ-তে রুশ তেল আমদানি ৩ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। তবে রুশ গ্যাস এখনও মোট আমদানির প্রায় ১৩ শতাংশ, যার বার্ষিক মূল্য ১৫ বিলিয়ন ইউরোর বেশি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শুভেন্দু অধিকারী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি : সংগৃহীত
মমতার পদত্যাগ প্রত্যাখ্যান, তীব্র প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বিজেপির কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) পরাজয়ের একদিন পর দলীয় প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন যে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করবেন না। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। মমতার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে এবার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নবনির্বাচিত বিধায়ক ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার (৫ মে) সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি সরাসরি কোনো বিতর্কে না জড়িয়েই সংবিধানের দিকে আঙুল দেখিয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, সবকিছুই সংবিধানে উল্লেখ করা আছে। আমার এই নিয়ে বেশি কিছু বলার প্রয়োজন নেই। মঙ্গলবার কলকাতায় এক সংবাদ সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন যে তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করবেন না। তিনি দাবি করেন, এই পরাজয় জনমতের প্রতিফলন নয়, বরং একটি বড় ষড়যন্ত্রের ফল। তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে সরাসরি হস্তক্ষেপ করছেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার হলেন এই নির্বাচনের খলনায়ক। তিনি আরও বলেন, টিএমসি একটি তথ্য অনুসন্ধানকারী দল গঠন করবে এবং দলের মধ্যে আলোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মূলত মুখ্যমন্ত্রীর এই অনড় মনোভাবের প্রেক্ষিতেই ভবানীপুর কেন্দ্রের জয়ী বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি এই মন্তব্য করেন। উল্লেখ্য, নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৮০টি আসন পেয়েছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার নিজ এলাকা ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ০৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের আগে নিরাপত্তা চুক্তি চাই: লেবাননের প্রেসিডেন্ট

ছবি : সংগৃহীত

এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় অধিকতর তদন্তের দাবি পাইলটদের

ছবি : সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের পর প্রথমবার রাশিয়ার তেল জাপানে পৌঁছেছে : গণমাধ্যম

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি : সংগৃহীত
পদত্যাগ না করলে মমতার সামনে কী সংকট?

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বিজেপির কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) পরাজয়ের একদিন পর দলীয় প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন যে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করবেন না , কারণ হিসেবে তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে ব্যানার্জী মমতা বলেন, আমরা পরাজিত হইনি। আমি পদত্যাগ করব না। আমার রাজভবনে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। প্রথা অনুযায়ী, বিধানসভা নির্বাচনের পর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী গভর্নরের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে রাজভবনে যান। মমতা অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে সরাসরি হস্তক্ষেপ করছেন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার হলেন এই নির্বাচনের খলনায়ক। তিনি আরও বলেন, টিএমসি একটি তথ্য অনুসন্ধানকারী দল গঠন করবে এবং দলের মধ্যে আলোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের পর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করতে অস্বীকার করলে কী হবে? সংবিধানে এ বিষয়ে কী বলা হয়েছে, আর মমতার ভাগ্যেই বা কী আছে? ভারতের সংবিধানের ১৬৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী গভর্নর কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং অন্যান্য মন্ত্রীরা মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শে গভর্নর থেকে শপথ নেবেন। মন্ত্রীরা গভর্নরের অনুমতি সাপেক্ষে নিজেদের পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন। সুতরাং, একজন গভর্নর মুখ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে পারেন। যদিও এটি যাতে একটি স্বেচ্ছাচারী পদক্ষেপ না হয়ে ওঠে, তার জন্য বিভিন্ন সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের একাধিক রায়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, গভর্নরের ক্ষমতা মূলত মন্ত্রী পরিষদের সহায়তা ও পরামর্শ থেকেই উদ্ভূত হয়। এছাড়াও, বিধানসভার মেয়াদ চলাকালীন যদি গভর্নর কোনো একজন মুখ্যমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলেন এবং সেই পদের জন্য অন্য কোনো প্রার্থীকে আমন্ত্রণ জানাতে চান, তাহলে আস্থা ভোটের আয়োজন করতে হবে। যেখানে উভয় পক্ষই বিধানসভায় তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা (অর্থাৎ, বর্তমান বিধায়কদের অর্ধেকের বেশি সমর্থন কার রয়েছে) প্রমাণ করার চেষ্টা করবে। শেষ উপায় হিসেবে, যদি কোনো স্থিতিশীল সরকার গঠন করা না যায়, তবে রাষ্ট্রপতি শাসন (অনুচ্ছেদ ৩৫৬) জারি করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে, মমতা পদত্যাগ করতে অস্বীকার করলে গভর্নর তার পদত্যাগপত্র চাইতে পারেন। এছাড়াও, বিধানসভার মেয়াদও শেষ হতে চলেছে। ভারতের সংবিধানের ১৭২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রতিটি রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা, যদি তার আগে ভেঙে দেওয়া না হয়, তবে তার প্রথম বৈঠকের জন্য নির্ধারিত তারিখ থেকে পাঁচ বছরের জন্য বলবৎ থাকবে এবং এর বেশি নয় এবং উক্ত পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হলে বিধানসভাটি ভেঙে দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মেয়াদ ৮ই মে, ২০২১-এ শুরু হয়েছে এবং ২০২৬ সালের ৭ই মে শেষ হবে। এরপর গভর্নরকে নতুন বিধানসভা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। যার অর্থ নতুন বিধায়কদের শপথ নিতে হবে এবং একটি নতুন সরকার নির্বাচিত করতে হবে। এক ঐতিহাসিক বিজয়ে বিজেপি ২০৭টি আসন পেয়েছে, অপরদিকে টিএমসি পেয়েছে ৮০টি আসন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর আসনে পরাজিত হয়েছেন। কংগ্রেস দুটি আসন, টিএমসি বিদ্রোহী হুমায়ুন কবিরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টি দুটি আসন এবং সিপিআই(এম) ও অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট একটি করে আসন জিতেছে। যদি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তার অবস্থানে অনড় থাকেন থাকেন তবুও বিধান অনুযায়ী তাকে ক্ষমতা হস্তান্তর করতেই হবে। এখন দেখার বিষয় মমতা কী সিদ্ধান্ত নেন। সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

মোঃ ইমরান হোসেন মে ০৫, ২০২৬ 0
কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর কাজ করছেন উদ্ধারকর্মীরা। ছবি : সংগৃহীত

কলম্বিয়ার কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ, নিহত ৯ শ্রমিক

ছবি : সংগৃহীত

কেরালা নির্বাচনে চমক, ইতিহাস গড়লেন ফাতিমা তাহিলিয়া

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ট্রাম্পের চাপে হরমুজ মিশনে কি যোগ দেবে দক্ষিণ কোরিয়া?

ছবি: সংগৃহীত
আমিরাতকে টার্গেট করার কথা জানাল ইরান

উত্তেজনা আরও বাড়লে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সব ধরনের স্বার্থ লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এক সামরিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।   এই হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টা আগে ইউএই জানিয়েছিল, তাদের ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার চেষ্টা হয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব হামলা প্রতিহত করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে।   প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইরান থেকে ছোড়া চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে তিনটি সফলভাবে ভূপাতিত করা হয়েছে এবং একটি সাগরে পড়ে যায়।   ইরানের এক সামরিক সূত্র দাবি করেছে, ইউএই খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো উত্তেজনা তাদের জন্য বড় হুমকি হতে পারে।   অন্যদিকে ইউএই প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ ইরানের সমালোচনা করে বলেন, তারা আবারও আগ্রাসনের পথ বেছে নিয়েছে। বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করা নৈতিকভাবে দেউলিয়াত্ব প্রমাণ করে। সূত্র : শাফাক নিউজ

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ০৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিজয়ের চমক, কিন্তু সরকার গঠন করতে পারবেন কী

ছবি: সংগৃহীত

ফুজাইরাহ বন্দরে হামলা, যুক্তরাষ্ট্রকে দোষারোপ করল ইরান

ছবি: সংগৃহীত

দুদিনের যুদ্ধবিরতিতে রাশিয়া

0 Comments