বিশ্ব

ট্রাম্পের এশিয়া সফর শুরু

খবর৭১ ডেস্ক, অক্টোবর ২৬, ২০২৫ 0

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার তার এশিয়া সফরের প্রথম ধাপে মালয়েশিয়া পৌঁছেছেন। এই সফরে তিনি আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বাণিজ্য আলোচনায় অংশ নেবেন।

ট্রাম্প সফরের শেষ দিনে দক্ষিণ কোরিয়ায় শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। 

ওয়াশিংটন ছাড়ার আগে তিনি ইঙ্গিত দেন, ২০১৯ সালের পর প্রথমবারের মতো উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গেও তার সাক্ষাৎ হতে পারে।

জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর এটি ট্রাম্পের প্রথম এশিয়া সফর। তিনি বলেন, শি চিনপিংয়ের সঙ্গে একটি ব্যাপক বাণিজ্য চুক্তি করার আশা করছি। 

তার মতে, চীন নতুন ১০০ শতাংশ শুল্ক এড়াতে একটি সমঝোতায় আসবে।

মালয়েশিয়ায় ট্রাম্প দেশটির সঙ্গে একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করবেন এবং থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির সাক্ষী থাকবেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে বলেন, আমরা পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই একটি শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করব।

এ সফরে ট্রাম্পের জাপান সফরের সম্ভাবনাও রয়েছে। তিনি নতুন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক করবেন। তাকাইচি জানান, জাপান-মার্কিন জোটকে শক্তিশালী করা আমার প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

এই সফরের মূল আকর্ষণ হবে দক্ষিণ কোরিয়া, যেখানে ট্রাম্প ও শি চিনপিংয়ের বৈঠককে কেন্দ্র করে বিশ্ব বাজার নিবিড়ভাবে নজর রাখছে। আলোচনায় শুল্ক সংকট ও বিরল-পৃথিবী খনিজ নিয়ন্ত্রণে চীনের ভূমিকা মুখ্য বিষয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে ট্রাম্প ও কিম জং উনের মধ্যেও সাক্ষাতের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। 

কিম জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন যদি পিয়ংইয়ংকে পরমাণু অস্ত্র ত্যাগে চাপ না দেয়, তবে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে রাজি থাকবেন। সূত্র : এএফপি

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
পদত্যাগ না করলে বরখাস্ত হতে পারেন মমতা, বাড়ছে চাপ

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনে দলটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ মোট ২২ জন মন্ত্রী নিজেদের আসনে পরাজিত হয়েছেন। যদিও নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি দাবি করে পরাজয় মেনে নিতে নারাজ মমতা। তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান ঘোষণা করেছেন যে, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করবেন না।   মমতা বলেছেন, রাজভবনে কীসের জন্য যাব? আমরা তো হারিনি যে যাব। মমতার এই ঘোষণার পর পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। বলা হচ্ছে সিদ্ধান্ত না বদলালে বরখাস্ত হতে পারেন মমতা। আর এমনটি ঘটলে তা হবে ভারতের রাজনীতির মাঠে নজিরবিহীন ঘটনা। শেষ পর্যন্ত যদি মমতা পদ না ছাড়েন তাহলে তাকে বরখাস্ত করতে পারেন গভর্নর। এ জন্য রাজভবন থেকে জারি করতে হবে একটি বিশেষ অধ্যাদেশ। ভারতের সংবিধানের ১৭২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রতিটি রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা, যদি তার আগে ভেঙে দেওয়া না হয়। তবে তার প্রথম বৈঠকের জন্য নির্ধারিত তারিখ থেকে পাঁচ বছরের জন্য বলবৎ থাকবে এবং এর বেশি নয় এবং উক্ত পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হলে বিধানসভাটি ভেঙে দেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মেয়াদ ৮ই মে, ২০২১-এ শুরু হয়েছে এবং ২০২৬ সালের ৭ই মে শেষ হবে। এরপর গভর্নরকে নতুন বিধানসভা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। যার অর্থ নতুন বিধায়কদের শপথ নিতে হবে এবং একটি নতুন সরকার নির্বাচিত করতে হবে। মমতা যদি গদি না ছাড়েন তাহলে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ বা রাষ্ট্রপতি শাসনও জারি হতে পারে। কারণ মুখ্যমন্ত্রী পরাজিত হওয়ার পর পদত্যাগ না করার অর্থ হলো রাজ্যে একটি সাংবিধানিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গভর্নর সংবিধানের ৩৫৬ ধারা অনুযায়ী কেন্দ্রে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ পাঠাতে পারেন। আর রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলেই রাজ্যের সব ক্ষমতা চলে যাবে কেন্দ্রের হাতে। সে ক্ষেত্রে বিলুপ্ত হয়ে যাবে মুখ্যমন্ত্রীর পদ। আর বরখাস্ত হবেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। ৭ মে সময়সীমার আগে মমতা সিদ্ধান্ত বদল না করলে ভারতের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনার জন্ম হবে। কারণ, ভারতে বিভিন্ন রাজ্যে এবং রাজনৈতিক দলে নির্বাচনের পর একাধিকবার ক্ষমতার হস্তান্তর হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীরা সরে দাঁড়িয়েছেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকে সরকার গঠনের সুযোগ করে দিয়েছেন। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

মোঃ ইমরান হোসেন মে ০৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বিজেপির জয়ে মুখ খুললেন জিত, কী বললেন অভিনেতা?

ছবি : সংগৃহীত

সংঘাত নয়, শান্তির বার্তা—যুদ্ধবিরতি বহাল বললেন হেগসেথ

শুভেন্দু অধিকারী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি : সংগৃহীত

মমতার পদত্যাগ প্রত্যাখ্যান, তীব্র প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

ছবি : সংগৃহীত
নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের আগে নিরাপত্তা চুক্তি চাই: লেবাননের প্রেসিডেন্ট

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের আগে নিরাপত্তা চুক্তি ও ইসরাইলি হামলা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। যুক্তরাষ্ট্র এ বৈঠক আয়োজনের চেষ্টা করছে। আউনের কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের উপযুক্ত সময় হয়নি বলে তিনি তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বৈরুত থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়। বিবৃতিতে আউনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘প্রথমে আমাদের একটি নিরাপত্তা চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে এবং আমাদের ওপর ইসরাইলি হামলা বন্ধ করতে হবে। এরপরই বৈঠকের বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।’ গত মাসে ওয়াশিংটনে ইসরাইল ও লেবাননের প্রতিনিধিরা দুই দফা বৈঠক করেন। কয়েক দশকের মধ্যে এটাই ছিল প্রথম এমন আলোচনা।  ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ২ মার্চ লেবাননকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলার পরই এই উদ্যোগ শুরু হয়। এরপর ইসরাইল ব্যাপক বিমান হামলা ও স্থল অভিযান চালায়। প্রথম দফা বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৭ এপ্রিল থেকে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। দ্বিতীয় দফা বৈঠকের পর তা আরও তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়। -দুই দেশ সরাসরি আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।- আউনের কার্যালয় জানায়, প্রস্তুতিমূলক আলোচনার তৃতীয় দফা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এপ্রিলের শেষ দিকে দ্বিতীয় বৈঠকের পর, ট্রাম্প আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আউন ও নেতানিয়াহুকে নিয়ে হোয়াইট হাউসে যৌথ বৈঠকের আশা করছেন। গত সপ্তাহে বৈরুতে মার্কিন দূতাবাসও এমন বৈঠকের আহ্বান জানায়।  তারা বলেছে, লেবানন একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। দেশের জনগণের সামনে নিজেদের দেশ পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ঐতিহাসিক সুযোগ রয়েছে।’  তারা আরও বলে, দ্বিধার সময় শেষ হয়েছে। -‘কোনো ক্ষতি নেই’- পরিকল্পিত আলোচনাকে কেন্দ্র করে লেবাননে বিভক্তি তৈরি হয়েছে। হিজবুল্লাহ সরাসরি আলোচনার বিরোধিতা করেছে। তাদের নিরস্ত্রীকরণের আগের প্রতিশ্রুতিও বৈরুত প্রত্যাখ্যান করেছে। হিজবুল্লাহ প্রধান নাইম কাসেম সোমবার সরাসরি আলোচনার সমালোচনা করেন।  তিনি বলেন, এতে লেবানন ‘অভিভাবকত্বের অধীনে’ চলে যাবে। তিনি যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানান। কাসেম বলেন, ‘সরাসরি আলোচনা অযৌক্তিক ছাড়, যার কোনো ফল নেই।’ আউন বলেন, ‘আলোচনার পথ থেকে ফেরার সুযোগ নেই, কারণ আমাদের আর কোনো বিকল্প নেই।’  তিনি আরও জানান, এই প্রক্রিয়ার লক্ষ্য লেবানন থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার নিশ্চিত করা। সোমবার লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার মতে, প্রেসিডেন্ট (আউন) যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, তাতে কোনো ক্ষতি নেই।’ তিনি বলেন, আউন ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর কাছে নিজের সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারেন। দেশে ফিরে এসে এরপর আলোচনা শুরু করা যাবে।  ইসা বলেন, আউন লেবাননের সব দাবি তুলে ধরবেন। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দেশের ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব।  তিনি উল্লেখ করেন, ভূখণ্ডগত পূর্ণ সার্বভৌমত্ব হিজবুল্লাহর অন্যতম প্রধান দাবি। ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত লেবাননে অন্তত ২ হাজার ৭০০ জন নিহত হয়েছে।  যুদ্ধবিরতির পরও বেশ কয়েক মানুষ নিহত হয়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ০৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় অধিকতর তদন্তের দাবি পাইলটদের

ছবি : সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের পর প্রথমবার রাশিয়ার তেল জাপানে পৌঁছেছে : গণমাধ্যম

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি : সংগৃহীত

পদত্যাগ না করলে মমতার সামনে কী সংকট?

কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর কাজ করছেন উদ্ধারকর্মীরা। ছবি : সংগৃহীত
কলম্বিয়ার কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ, নিহত ৯ শ্রমিক

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার একটি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ৯ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। দেশটির খনি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির মধ্যাঞ্চলের সুতাতাউসা শহরের ‘লা সিসকুদা’ খনিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এটি রাজধানী বোগোতা থেকে প্রায় ৭২ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। দুর্ঘটনার সময় খনির ভেতরে মোট ১৫ জন শ্রমিক ছিলেন। তাদের মধ্যে ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দেশটির জাতীয় মাইনিং এজেন্সি (এএনএম) জানিয়েছে, খনির ভেতরে গ্যাস জমে যাওয়ায় হয়ত বিস্ফোরণ ঘটেছে। সংস্থাটি জানায়, গত ৯ এপ্রিল পরিদর্শনের সময় সেখানে মিথেনসহ বিপজ্জনক গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছিল এবং নিরাপত্তা জোরদারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় খনির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘কার্বনেরা লস পিনোস’ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। এদিকে, এখনো উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। রাজ্যের গভর্নর হোর্হে এমিলিও রেই খনির প্রবেশমুখে অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন ও উদ্ধার তৎপরতার ছবি প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, কলম্বিয়া বিশ্বে উচ্চমানের তাপীয় কয়লার অন্যতম প্রধান উৎপাদক ও রপ্তানিকারক। তবে অপর্যাপ্ত বায়ু চলাচলসহ নানা নিরাপত্তা ঘাটতির কারণে প্রায়ই খনি দুর্ঘটনা ঘটে দেশটিতে।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ০৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

কেরালা নির্বাচনে চমক, ইতিহাস গড়লেন ফাতিমা তাহিলিয়া

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ট্রাম্পের চাপে হরমুজ মিশনে কি যোগ দেবে দক্ষিণ কোরিয়া?

ছবি: সংগৃহীত

আমিরাতকে টার্গেট করার কথা জানাল ইরান

0 Comments