জাতীয়

সিরাজগঞ্জে বহুবছর পরে ভোট দিয়ে খুশি জনগণ

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0

সিরাজগঞ্জ জেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। 

আজ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। 

সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। নারী-পুরুষসহ সব বয়সী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এবার ভোটাররা দুটি ব্যালট পেপারে ভোট দিচ্ছেন। সাদা রঙের ব্যালট পেপারটি সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য এবং গোলাপি রঙের ব্যালট পেপারটি গণভোটের জন্য নির্ধারিত। 

কেন্দ্রে প্রবেশের আগে ভোটারদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন সতর্ক অবস্থানে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নজরদারি রাখা হয়েছে। দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৬ লাখ ৮৬ হাজার ৮৫৮ জন। দীর্ঘ সময় পর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পেরে অনেকেই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

সদর উপজেলার তরুণ ভোটার রাফি বলেন, জীবনের প্রথম ভোট দিলাম, অন্যরকম ভালো লাগছে। কেন্দ্রে এসে পরিবেশ দেখে খুশি।

কামারখন্দের আরেক প্রথমবারের ভোটার তানিয়া জানান, সকালেই লাইনে দাঁড়িয়েছি। সবাই খুব স্বাভাবিকভাবে ভোট দিচ্ছে। কোনো চাপ নেই। ১৭ বছর পর এমন পরিবেশে ভোট দিতে পারছি, এটা আমাদের জন্য বড় ব্যাপার।
বিভিন্ন কেন্দ্রের বাইরে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভোটারদের সহায়তা করতে দেখা গেছে। তারা ভোটারদের কেন্দ্র খুঁজে পেতে এবং সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াতে সহযোগিতা করছেন।

সব মিলিয়ে, এখন পর্যন্ত সিরাজগঞ্জে শান্ত পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
সৌদিতে পৌঁছালেন প্রায় ৪৫ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী

পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব-এ পৌঁছেছেন প্রায় ৪৫ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী। হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার পর থেকেই নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ধাপে ধাপে যাত্রীরা সৌদিতে পৌঁছাচ্ছেন, ফলে প্রতিদিনই এই সংখ্যা বাড়ছে।   ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও হজ অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে বাংলাদেশ থেকে মোট প্রায় ৭৮ হাজারের বেশি মুসল্লি হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে যাবেন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে বড় একটি অংশ জেদ্দা ওমদিনা এ পৌঁছেছেন। হজযাত্রীদের বহনে Biman Bangladesh Airlines, Saudia এবং Flynas নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে।   আরবে পৌঁছানোর পর হজযাত্রীদের জন্য আবাসন, পরিবহন ও চিকিৎসাসহ বিভিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ হজ মিশন কাজ করছে। ইতোমধ্যে সেখানে অবস্থানরত দলগুলো যাত্রীদের গাইডলাইন প্রদান, হারিয়ে যাওয়া বা অসুস্থ যাত্রীদের সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় তথ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছে।   এদিকে, হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সকল যাত্রীকে নির্ধারিত টিকা গ্রহণ, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাপমাত্রা বেশি থাকায় পর্যাপ্ত পানি পান ও সতর্ক থাকার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।   চাঁদ দেখা সাপেক্ষে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে এই ধর্মীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে Saudi Arabia সরকার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।   সব মিলিয়ে, পবিত্র হজকে ঘিরে সৌদি আরবে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের উপস্থিতি ক্রমেই বাড়ছে। ধর্মীয় এই মহাযাত্রা ঘিরে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহ, আর প্রবাসে পৌঁছে ইবাদতে মগ্ন হচ্ছেন হাজারো মুসল্লি।

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ০৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ফ্লোরিডায় নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী লিমনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

ছবি: সংগৃহীত

বাতিল হওয়া ৩১ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রকল্প পুনর্মূল্যায়নে যাচ্ছে সরকার

ছবি: সংগৃহীত

‘সোনালি’ নামে ব্রয়লার বিক্রি: বাজারজুড়ে প্রতারণার ফাঁদ

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বে পারমাণবিক বিদ্যুৎ: কোন দেশে কত রিঅ্যাক্টর, উৎপাদনে কারা শীর্ষে

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাড়তে থাকা বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের চাপে বিশ্বজুড়ে আবারও গুরুত্ব পাচ্ছে পারমাণবিক শক্তি। বিতর্ক ও ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও কম কার্বন নিঃসরণের কারণে অনেক দেশই এ খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।   বৈশ্বিক চিত্র: আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বের ৩১টি দেশে ৪১৬–৪১৭টি পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর চালু রয়েছে। এগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ৩৭০ গিগাওয়াটের বেশি। এ ছাড়া আরও ৬০টির বেশি রিঅ্যাক্টর নির্মাণাধীন রয়েছে।   বিশ্বের মোট বিদ্যুতের প্রায় ৯–১০ শতাংশ আসে পারমাণবিক শক্তি থেকে। জলবায়ু লক্ষ্য পূরণে অগ্রগতি হলে ২০৫০ সালের মধ্যে এই উৎপাদন দ্বিগুণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   শীর্ষ উৎপাদক দেশ   যুক্তরাষ্ট্র: বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদক। ৯৪টি রিঅ্যাক্টর থেকে বছরে প্রায় ৭৮০ হাজার গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। দেশটির মোট বিদ্যুতের প্রায় ১৮–১৯ শতাংশ আসে এ খাত থেকে।   ফ্রান্স: পারমাণবিক বিদ্যুতের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল দেশগুলোর একটি। ৫৬টির বেশি রিঅ্যাক্টর থেকে মোট বিদ্যুতের প্রায় ৬৫–৭০ শতাংশ উৎপাদিত হয়। চীন: সবচেয়ে দ্রুত অগ্রসরমান দেশ। ৫০টির বেশি রিঅ্যাক্টর চালু রয়েছে এবং আরও বহু প্রকল্প নির্মাণাধীন। বছরে ৪০০ হাজার গিগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। রাশিয়া: প্রায় ৩৭টি রিঅ্যাক্টর থেকে ২০০ হাজার গিগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। বিদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দক্ষিণ কোরিয়া: ২৫–২৬টি রিঅ্যাক্টর রয়েছে। উচ্চ দক্ষতা ও কম খরচে উৎপাদনের জন্য দেশটি পরিচিত এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রযুক্তি রপ্তানিও করছে।   অন্যান্য দেশ জাপান: ফুকুশিমা দুর্ঘটনার পর বেশিরভাগ কেন্দ্র বন্ধ হলেও ধীরে ধীরে পুনরায় চালু হচ্ছে। ভারত: ২০টির বেশি রিঅ্যাক্টর রয়েছে এবং নতুন প্রকল্প নির্মাণাধীন। কানাডা ও যুক্তরাজ্য : কানাডা নিজস্ব কানডু প্রযুক্তির জন্য পরিচিত। যুক্তরাজ্যে পুরনো কেন্দ্র বন্ধ হলেও নতুন প্রজন্মের কেন্দ্র নির্মাণ চলছে।   কেন গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি:  বিশ্বে এটি বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম নিম্ন-কার্বন বিদ্যুৎ উৎস। এর বড় সুবিধা হলো উচ্চ ‘ক্যাপাসিটি ফ্যাক্টর’—৮০ থেকে ৯০ শতাংশ সময় পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।   ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি: ছোট আকারের ‘স্মল মডিউলার রিঅ্যাক্টর’ (SMR) এখন আলোচনার কেন্দ্রে। কম খরচে ও দ্রুত স্থাপনের কারণে ভবিষ্যতে এ প্রযুক্তি পারমাণবিক শক্তিকে আরও বিস্তৃত করতে পারে।   আঞ্চলিক প্রবণতা: ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও পূর্ব এশিয়ায় পারমাণবিক কেন্দ্রের আধিক্য থাকলেও এখন মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোও এই খাতে এগিয়ে আসছে।   বাংলাদেশের অবস্থান: বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর প্রকল্প। দুটি ইউনিটে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে। এটি চালু হলে দেশের মোট বিদ্যুতের প্রায় ১০ শতাংশ সরবরাহ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।   সামগ্রিক চিত্র:  বিশ্বে পারমাণবিক শক্তি এখন এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে। একদিকে নিরাপত্তা ও ব্যয়ের চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জলবায়ু মোকাবিলায় এর প্রয়োজনীয়তা—এই দুইয়ের সমন্বয়েই আগামী দশকে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আক্তারুজ্জামান মে ০৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশিদের জন্য শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ ভিসা সেবা চালু করতে যাচ্ছে ভারত

ছবি: সংগৃহীত

অপরাধচক্রের দাপটে মোহাম্মদপুর ঢাকার সিটি অব গড

ছবি: সংগৃহীত

৮ম শ্রেণির মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন শেষ ১৪ মে

ছবি: সংগৃহীত
ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে বড় কর ছাড়, ভ্যাট থাকছে ১৫ শতাংশ

দেশে পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন বাড়াতে নতুন ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে ব্যাপক শুল্ক-কর ছাড়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ১৫ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।   রোববার (৩ মে) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের ভিত্তিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এইচএস কোড ৮৭০২.৪০.০০-এর আওতায় কমপক্ষে ১৭ আসনবিশিষ্ট সম্পূর্ণ নতুন ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে শর্তসাপেক্ষে শুল্ক-কর মওকুফ করা হবে। তবে শিক্ষার্থী পরিবহন ছাড়া অন্যান্য কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এসব বাসের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য থাকবে।   এ সুবিধার আওতায় আমদানিকারকদের কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং অগ্রিম আয়কর থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হবে।   সরকার জানিয়েছে, এ সুবিধা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।   একই ধরনের কর সুবিধা ৫ টন বা তার বেশি ধারণক্ষমতার ট্রাক আমদানির ক্ষেত্রেও দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

আক্তারুজ্জামান মে ০৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ধান-চাল সংগ্রহের ঘোষণা খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে পোশাকশ্রমিককে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

ছবি : সংগৃহীত

ঈদের পর আলোচনার মাধ্যমে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

0 Comments