জাতীয়

ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার বাণী

নতুন বছরে আরও জোরদার হোক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ০১, ২০২৬ 0

ইংরেজি নববর্ষ-২০২৬ উপলক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস দেশে ও বিদেশে বসবাসরত সব বাংলাদেশিসহ সমগ্র বিশ্ববাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

 

আগামীকাল (১ জানুয়ারি) ‘ইংরেজি নববর্ষ’ উপলক্ষ্যে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এ শুভেচ্ছা জানান। 

 

মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘নতুন বছরে আরও জোরদার হোক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন। নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। সবাইকে শুভ নববর্ষ।’ 

 

তিনি বলেন, ‘নববর্ষ মানেই নতুন স্বপ্ন, নতুন আশা ও নতুন সম্ভাবনার সূচনা। নতুনের এ আগমনি বার্তা আমাদের উদ্বেলিত করে। সব গ্লানি ভুলে সুন্দর আগামীর পথচলার জন্য জোগায় নবোদ্যম ও অনুপ্রেরণা।’

 

একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আমরা সবাই দেশকে ভালোবেসে মানুষের কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করবো এমন আশা প্রকাশ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নতুন বছরে সব চ্যালেঞ্জ একসঙ্গে মোকাবিলা করে একটি সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলব।’

 

মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে নতুন বছর আমাদের জাতীয় জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ত্রুটিপূর্ণ রাষ্ট্রব্যবস্থাকে মেরামত করে গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে যে যাত্রা আমরা শুরু করেছি, নতুন বছরে একটি জাতীয় নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট আয়োজনের মধ্য দিয়ে তা পূর্ণতা পাবে বলে আমরা আশা করছি।’

 

বাণীতে তিনি বলেন, সব ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে এ নির্বাচন ও গণভোট আমাদের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে-নতুন বছরে এটিই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
প্রশাসনের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর কঠোর নতুন নির্দেশনা

প্রশাসনিক কাজে গতি আনতে কোনো ফাইল ৭২ ঘণ্টার বেশি আটকে রাখা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।    মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যায় বনানীর ঢাকা শেরাটন হোটেল-এ বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি)-এর এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।   মন্ত্রী বলেন, অতীতে তিনি যখন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক-এর সঙ্গে কাজ করেছেন, তখন কোনো ফাইল ৭২ ঘণ্টার বেশি আটকে থাকত না। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বর্তমানেও তিনি সচিবকে একই নির্দেশনা দিয়েছেন। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী ফাইল দীর্ঘ সময় আটকে থাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।   শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা যদি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অতিরিক্ত মনিটরিং করি, অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ আরোপ করি, তাহলে তারা কাজ করতে পারবে না। আবার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া যাবে না, যাতে এগুলো ‘হলি আর্টিজান’-এর মতো জঙ্গি কারখানায় পরিণত হয়। অবশ্যই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সরকারকে আপনাদের কথা শুনতে হবে, সমস্যাগুলো শুনতে হবে এবং সেগুলোর সমাধান করতে হবে।   মন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই ক্রস-বর্ডার এডুকেশন সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। আমরা দেখেছি, ৮০-এর দশকে যখন আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম, তখন মালয়েশিয়ার শিক্ষার্থীরা আমাদের দেশে এসে পড়াশোনা করত। আর আজ আমরা সেখানে গিয়ে পড়াশোনা করছি। তারা ব্রেন ড্রেইন করেনি, বরং রিভার্স ব্রেন ড্রেইন করেছে। আপনাদের মতো ডিস্টিংগুইশড একাডেমিশিয়ানরা দেশে ফিরে এসে কাজ করতে চাচ্ছেন; আমি অবশ্যই আপনাদের সম্মান জানাই। কারণ আমরা যারা বাইরে যাই, তারা যেন দেশে ফিরে আসতে পারি; সেই জায়গা তৈরি করা জরুরি।   তিনি আরও বলেন, ১৯৯২ সালে যে ধারণা থেকে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আইন করা হয়েছিল; সেই ধারণার ফল আমরা আজ পাচ্ছি। এটাকে পরিবর্তন বা সংশোধনের চেষ্টা হয়েছে ২০১০ সালে, আবার ২০২৫ সালেও আমরা দেখেছি; প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কীভাবে সরকারি প্রশাসনের অধীনে নিয়ে আসা যায়, সেই চেষ্টা হয়েছে। আমি সরাসরি বলছি, ক্রস-বর্ডার বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, চারটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমি জানি না শিক্ষা মন্ত্রণালয় কীভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। আমাদের বসে কথা বলতে হবে, জানতে হবে, বুঝতে হবে।   মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো আমাদের তরুণ জনগোষ্ঠী। এই খাত থেকেই আমরা সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি। আমরা দেখেছি, নর্থ সাউথসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজ কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।   ড. মিলন আরও বলেন, আমাদের ভিসা সমস্যাও রয়েছে, এ বিষয়ে অনেকেই আমাকে জানিয়েছেন। আমরা একটি কমিটি গঠন করবো এবং ১৯৯২ সালের আইন পর্যালোচনা করবো। আধুনিক সময়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কীভাবে এগোনো যায়, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমি বলি, ভালো মডেলগুলো অনুসরণ করতে হবে। যারা ভালো করেছে, তাদের কাছ থেকে শিখতে হবে। আমরা চাই সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এগোতে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ০৬, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের এসপি হলেন ডিসি মাসুদ

ছবি : সংগৃহীত

বুধবার ৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

ছবি : পিআইডি

জনগণের শক্তিতে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশে সুশাসন, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা : প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদল

বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষ পদে ৩৯ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আজ মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়। এতে স্বাক্ষর করেন উপসচিব তৌছিফ আহমেদ। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানকে পুলিশ অধিদপ্তরে, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার (ডিআইজি) মো. জিল্লুর রহমানকে সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি, এসবি’র ডিআইজি মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরকে আরএমপি কমিশনার (ডিআইজি) হিসেবে পদায়ন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলামকে টুরিস্ট পুলিশে, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলামকে সিআইডির ডিআইজি, সিআইডির ডিআইজি মো. আবুল বাশার তালুকদারকে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিআইজি), ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিআইজি) সানা শামীনুর রহমানকে সিআইডিতে, সিআইডির ডিআইজি মোহাম্মদ শামসুল হককে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার, ড. শাহেদুল আকবর খানকে এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার, এপিবিএন-১৩ এর পুলিশ সুপার ড. এলিজা শারমীনকে পুলিশ অধিদপ্তরে পুলিশ সুপার (টিআর), ডিএমপির উপ-কমিশনার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমানকে এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার, এপিবিএন’র পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলমকে এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার, ডিএমপির উপ-কমিশনার মোহাম্মদ মোর্শেদ আলমকে কেএমপির উপ-কমিশনার, ডিএমপির উপ-কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়াকে কেএমপির উপ-কমিশনার, এপিবিএন’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমানকে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার হিসেবে পদায়ন বা বদলি করা হয়েছে। অপর এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলামকে নৌ-পুলিশে, ময়মনসিংহ এপিবিএন-২ এর পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানকে পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার, বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমানকে আরপিএমপির উপ-কমিশনার, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকারকে বান্দরবানের পুলিশ সুপার, জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদাকে ডিএমপির উপ-কমিশনার, ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি অফিসের পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগমকে জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার, পাবনার পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার জাহিদকে এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার, এসবির পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহকে পাবনার পুলিশ সুপার, নীলফামারীর পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলামকে ডিএমপির উপ-কমিশনার, শিল্পাঞ্চল পুলিশের পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খানকে নীলফামারীর পুলিশ সুপার, নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন শিকদারকে ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার, ডিএমপির উপ-কমিশনার মল্লিক আহসান উদ্দিন সামীকে নড়াইলের পুলিশ সুপার, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েলকে এপিবিএন-এর পুলিশ সুপার, সারদা বিপিএ’র পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলমকে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার, চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসানকে ডিএমপির উপ-কমিশনার, ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানকে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদারকে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার, মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনকে নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার, আরএমপির উপ-কমিশনার মো. রিয়াজুল ইসলামকে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খানকে এপিবিএন-এর পুলিশ সুপার, ডিএমপির উপ-কমিশনার মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার, ফেনীর পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলামকে পুলিশ অধিদফতরের এআইজি, সিএমপির উপ-কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে ফেনীর পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি বা পদায়ন করা হয়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ০৫, ২০২৬ 0
হজযাত্রী। ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবে পৌঁছালেন ৪৬ হাজারের বেশি বাংলাদেশি হজযাত্রী

ছবি : সংগৃহীত

এক বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন : মির্জা ফখরুল

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত, জানালেন চিফ প্রসিকিউটর

ছবি: সংগৃহীত
চীন সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পরে যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘ প্রচারণা

কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার (সিপিসি) পলিটিক্যাল ব্যুরোর পররাষ্ট্রবিষয়ক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র আমন্ত্রণে চীন সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ৫ থেকে ৭ মে পর্যন্ত দেশটিতে অবস্থান করবেন তিনি। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে চীনের উদ্দেশে তার রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।   পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম চীন সফর। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন। তারা কুনমিং হয়ে বেইজিং পৌঁছাবেন।   কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, সফরকালে দুই দেশের মধ্যে বৈশ্বিক পরিস্থিতি, জ্বালানি সংকট, উন্নয়ন প্রকল্প, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, পানি ব্যবস্থাপনা সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা সহায়তা এবং রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। এছাড়া চীনের উন্নয়ন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির উচ্চপর্যায়ের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তারা।   চীন সফর শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ করবেন। সেখানে তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের পক্ষে প্রচারণা চালাবেন এবং আগামী ১৩ মে জাতিসংঘ সদর দফতরে আয়োজিত সংলাপে অংশ নেবেন।   জানা গেছে, ৮০তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি আনালেনা বেয়ারবক প্রার্থীদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক ইন্টারেক্টিভ সংলাপের আয়োজন করেছেন। এতে বাংলাদেশের প্রার্থীর পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীও অংশ নেবেন। সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।   পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, প্রার্থীদের দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও অন্তর্ভুক্তি বাড়াবে।   কূটনৈতিক সূত্রে আরও জানা গেছে, ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির নির্বাচন আগামী ২ জুন অনুষ্ঠিত হবে। আঞ্চলিক আবর্তন অনুযায়ী এবার এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ থেকে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার কথা। ফিলিস্তিন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় বর্তমানে বাংলাদেশ ও সাইপ্রাসের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ০৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সংরক্ষিত নারী আসনে নুসরাতকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করল ইসি

সংগৃহীত ছবি

পাহাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার আন্তরিক : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

ছবি: সংগৃহীত

৩৩ বছরেও এমপিওভুক্তি হয়নি, মানবেতর জীবনে সাড়ে ৩ হাজার শিক্ষক

0 Comments